২০১৯ সালের শেষ দিকে কয়েকজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও খেলাধুলাপ্রেমী একত্রিত হয়ে একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য কি সত্যিকারের একটি বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম আছে? উত্তর ছিল না। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই জন্ম নিল 3jeta।
শুরুটা ছোট ছিল। মাত্র একটি ছোট দল নিয়ে, সীমিত সম্পদে। কিন্তু লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে পেমেন্ট হবে Mobile Pay বা Nagad-এ, ইন্টারফেস হবে বাংলায়, সাপোর্ট পাওয়া যাবে বাংলায়। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো এই সুবিধাগুলো দিতে পারত না।
প্রথম দুই বছর — শেখার পর্ব
২০২০ ও ২০২১ সাল ছিল 3jeta-র জন্য শেখার সময়। ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়ে প্ল্যাটফর্ম ক্রমাগত উন্নত করা হয়েছে। এই সময়ে 3jeta বুঝেছে বাংলাদেশি বেটারদের আসল চাহিদা কোথায় — দ্রুত পেআউট, নিরাপদ পেমেন্ট ও সহজ ইন্টারফেস।
২০২১ সালে 3jeta লাইভ ক্রিকেট বেটিং চালু করে। এটা ছিল একটা টার্নিং পয়েন্ট। বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দিন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীর সংখ্যা একলাফে পাঁচ গুণ বেড়ে গেল। বোঝা গেল — বাজারটা প্রস্তুত ছিল, শুধু সঠিক পণ্যের অপেক্ষা ছিল।
বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির যাত্রা
অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে যেখানে জিতলেও টাকা তোলা যায় না, বা টাকা তুলতে সপ্তাহ লেগে যায়। 3jeta এই জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। আমাদের পেআউট প্রক্রিয়া ৯৮% ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
বিশ্বাসযোগ্যতা শুধু কথায় আসে না, কাজে আসে। 3jeta-র প্রতিটি ড্র ও বেটিং ফলাফল আন্তর্জাতিক মানের RNG সিস্টেমে পরিচালিত হয়। তৃতীয় পক্ষের অডিটে প্রতি বছর যাচাই করা হয় আমাদের সিস্টেম।
আজকের 3jeta
আজ 3jeta-তে পাঁচ লক্ষের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ক্রিকেট, ফুটবল, লটারি, জ্যাকপট — সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন বেটিং পরিবার। আমাদের দলে এখন ৫০ জনেরও বেশি পেশাদার কর্মী কাজ করেন — প্রযুক্তি, গ্রাহক সেবা, বিশ্লেষণ ও নিরাপত্তা বিভাগে।
3jeta এখন আর শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি একটি কমিউনিটি। লক্ষো সদস্য প্রতিদিন এখানে আসেন, বেট করেন, জেতেন, আনন্দ পান। এই কমিউনিটিটাকে আরও বড় ও আরও শক্তিশালী করাটাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।